দ্রুত বীর্যপাত সমস্যার সমাধান কী?

1
+2
-1

আমার স্ত্রী আমাকে অনেক ভালবাসে তাই অনেকসময় কষ্ট হলেও মেনে নেয়। কিন্তু আমার অনেক খারাপ লাগে। এই সমস্যা আমার বর্তমানে প্রায়ই হয়। আমি সুখী জীবন চাই। আমাকে সাহায্য করুন প্লিজ।

8 answers

1
0
-1

আশা করি এই ভিডিও টি দেখলে আপনি সমাধান পাবেন দ্রুত বীর্যপাত সমস্যার সমাধান

1
0
-1

Premature ejaculation is a very common problem. If newly married, it might happen normally since your self control is not strong yet. With time, it will be solved and you will learn how to prolong sex. So, nothing is to worry. But if you worry and get stressed, it will lower your confidence and more importantly, stress is the real killer of sex. Because of stress or fear, stress hormones release ; it will extinguish the sex energy. So, better is not to worry about it anymore and enjoy it . Evenif you have problem, think that it will be solved soon.
Do kegal exercise. It will sthregthen the specific muscle that will give you more control over sex.
Next, make right of your diet. Do not eat junk food; instead, have vegetable juices,fruits,seeds especially pumpkin's, nuts especially almond, milk, organic eggs, watermelon, carrots etc.
Have some herbs such as aswagandha.
Exercise ,at least walking.
Try to learn some control. For that, you have to do breathing exercises regularly. Try to be calm as possible while intercourse. When you anticipate you are going to ejaculate, you have to stop from it for a while, take some deep breaths. Then start again. Thrusting speed should be varied.
Have a soothing environment between you and your partner. Mutually discussing or watching something will increase chemistry to both. Effective foreplay is important. Let her kiss you too. It will calm you. Wives should encourage you too.
Finally, try to limit your intercourse twice in a week. Having intercouse at least for five minutes is very normal. If semen is too thin, it might be tough to prolong sex. So, you should concentrate on your diets and herbs or even even homeopathic medicines such as Selenium is very effective. Try to do a diagnostic test of your neurotransmitters. For example, excess Histamine level will prevent you from long intercourse. So, if you find any neurotransmitter imbalances, you should try to fix it. Even diets can balance them.

1
0
-1

দ্রুত বীর্যপাত অনেকটাই মানসিক কারণে হয়ে থাকে, সব সময় হাসি-খুশি এবং টেনশন মুক্ত থাকার চেষ্টা করুন। নিজের উপর আস্তা ফিরিয়ে আনুন, সকাল বিকাল কিছুটা সময় হাঁটার অভ্যাস করুন। বুক ভরে শ্বাস নিন, ঠিক হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ।

এছাড়া ট্যাবলেট মেলারিল ০.৫ মি. গ্রা. ১টা করে প্রতিদিন খেতে পারেন।

1
0
-1

দ্রুত বীর্যপাতেরই আরেক নাম ইংরেজিতে প্রি-ম্যাচিউর ইজাকুলেশন। মাঝে মধ্যে অনেক পুরুষকেই দেখা যায় যৌনমিলনের সময় নিজেদের অথবা তাদের যৌনসঙ্গিনীর চাহিদার তুলনায় দ্রুত বীর্যপাত করে ফেলেন। যদি এটা কদাচিৎ ঘটে তাহলে তেমন সতর্ক হওয়ার কারণ নেই। কিন্তু যদি নিয়মিত আপনার ও আপনার সঙ্গিনীর ইচ্ছার চেয়ে দ্রুত বীর্যপাত ঘটে অর্থাৎ যৌনসঙ্গম শুরু করার আগেই কিংবা যৌনসঙ্গম শুরুর একটু পরে আপনার বীর্যপাত ঘটে যায়- তাহলে বুঝতে হবে আপনার যে সমস্যাটি হচ্ছে তার নাম প্রি-ম্যাচিউর ইজাকুলেশন।

দ্রুত বীর্যপাত সমস্যা সমাধানের জন্য সর্বাধুনিক কার্যকর, আরোগ্যকারী এবং উন্নত হোমিওপ্যাথিক চিকিত্সা রয়েছে, যা এই সমস্যা সমাধানের জন্য সবচেয়ে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে এবং একবার আরোগ্য হলে তা আর দেখা দেয় না। তাই অন্তত একবার হলেও হোমিও চিকিত্সা নিয়ে দেখবেন আশা করি।

তবে আপনি যদি ডাক্তার না হোন তাহলে নিজ নির্বাচনে হোমিও ঔষধ খেয়ে রোগটিকে আরো জটিলতার দিকে নিয়ে যাবেন না। মনে রাখবেন অভিজ্ঞ একজন হোমিও ডাক্তারই এই সমস্যার যথাযথ ট্রিটমেন্ট দিয়ে পারেন তখন সমস্যাটি দূর হয়ে যায় এবং পূনরায় আবার দেখা দেয় না।

1
0
-1

দ্রুত বীর্যপাত এ হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা

হোমিওপ্যাথি লক্ষন ভিত্তিক চিকিৎসা ব্যাবস্থা,তাই সব রোগীর লক্ষন এক রকম থাকে না,লক্ষন অনুযায়ী ওষুধ খেতে হবে,তা হলে উপকার হবে ,নিন্মে কিছু লক্ষন ও ওষুধের নাম দেওয়া হলো,আপনি লক্ষন মিলিয়ে সেবন করিবেন,তবে ওষুধের মান ভালো হতে হবে।ভালো মানের ওষুধ সেবন করিলে আল্লাহর রহমতে রেজাল্ট নিশ্চিত পাবেন।

Caladium Seg(ক্যালেডিয়াম)-- বহু দিন যাবত স্বপ্নদোষ হইতে হইতে লিঙ্গ শিথিল।স্ত্রী সহবাসের ইচ্ছা অত্যান্ত প্রবল কিন্তু ক্ষমতাহীন।সহবাসকালে লিঙ্গ শক্ত হয় না,যদিও হয় অল্পতেই বীযপাত হইয়া যায়।
সেবন ঃ নিন্ম শক্তি ১০ ফোটা করে সামান্য পানির সঙ্গে প্রত্যহ ৩ বার
Conium(কোনিয়াম)- স্ত্রী সহবাসের ইচ্ছা অধিক কিন্তু অক্ষম।সহবাস কালে সোহাগ আলিঙ্গনের সময় লিঙ্গ শিথিল হইয়া পড়ে।
সেবন -শক্তি ২০০,১এম বা আরো উচ্চ শক্তি,২-৪ মাত্রাই উপকার হয়।
Lycopodium(লাইকোপোডিয়াম)--হস্তমৈথুন স্বপ্নদোষ কিংবা অত্যাধিক স্ত্রী সহবাস জনিত কারনে ধ্বজভঙ্গ,স্ত্রী সোহাগ আলিঙ্গন করিলেও লিঙ্গ শক্ত হয় না।
সেবন -শক্তি ২০০,১এম বা আরো উচ্চ শক্তি,২-৪ মাত্রাই উপকার হয়।
Selenium(সিলিনিয়াম) -শুক্র তারুল্য---৩ ,৩০,২০০ প্রত্যহ ২-৩ বার
Agnus Castus(এগনাস কাস্ট)অবৈধভাবে বীর্যক্ষয় করিয়া যাহারা ধজভঙ্গ রোগে আক্রান্ত হইয়া পড়িয়াছে তাদের জন্য।
সেবন - নিন্ম শক্তি-১০ ফোটা সমান্য পানির সঙ্গে দিনে ৩ বার
Anacardium(এনাকার্ডিয়াম)--স্মরন শক্তিহীন রোগীদের প্রস্রাব কালীন বীর্যপাত হইয়া ধজভঙ্গ রোগ হইলে ।
সেবন-১৩/৩০ শক্তি প্রত্যহ ২ বার
Acid Phos(এসিড ফস)---স্ত্রী সহবাস জনিত মাথা ঘুরা,স্মৃতি শক্তি হ্রাস,লিঙ্গ শিথল,অতি শিঘ্রই বীর্যপাত।
সেবন --নিন্ম শক্তি --১০ ফোটা সমান্য পানির সঙ্গে ৩ বার আহারের পর
Corbonium Sulph(কার্বোনিয়াম সালফ)-অজান্তে বা অনিচ্ছা সত্ত্বে বীর্যপাত,স্ত্রী সহবাসের ইচ্ছা হয় না।
সেবন- ৬-৩০ শক্তি প্রত্যহ ৩ বার
Salix Nig(স্যালিক্্র নায়গ্রা)- স্ত্রী সহবাসের ইচ্ছা প্রবল কিন্তু ক্ষমতা হীন,
সেবন ঃ নিন্ম শক্তি ১০ ফোটা করে সামান্য পানির সঙ্গে প্রত্যহ ৩ বার
Titanium(টিটেনিয়াম)--সঙ্গমে অতি শীঘ্রই বীর্যপাত ও বীর্যপাতলা
সেবন--৩x প্রত্যহ ৩ বার
Nuphar Lut(নুপার লুটিয়া)---কাম উত্তেজনার কথায় কিংবা উত্তেজনায় অসাড়ে বীর্যপাত
সেবন ঃ নিন্ম শক্তি ১০ ফোটা করে সামান্য পানির সঙ্গে প্রত্যহ ৩ বার
Turnera(টার্নেরা)--শুক্র বর্ধক ওষুধ
সেবন ঃ নিন্ম শক্তি ১০ ফোটা করে সামান্য পানির সঙ্গে প্রত্যহ ৩ বার
Avana Sat(এভেনা স্যাট)-- হস্তমৈথুন,স্বপ্নদোষ বা অতিরিক্ত স্ত্রী সহবাস জনিত শারীরিক দুর্বলতার জন্য উপকারী।
সেবন ঃ নিন্ম শক্তি ১০ ফোটা করে সামান্য পানির সঙ্গে প্রত্যহ ৩ বার
Medorrhinum(মেডোরিনাম)-গনরিয়া রোগে আক্রান্ত হইয়া ধজভঙ্গ পীড়ায় প্রথমে এ ওষুধ পরে লক্ষ অনুযায়ী অন্য ওষুধ সেবন করিবে।
Phosphorus(ফসফরাস)-সুন্দর লম্বা ছিপছিপে গড়ন,চালক সমান্য কারনে মন খারাপ।হাঁটতে সামান্য নুয়ে চলে এই ধাতুর রোগী হস্তমৈথুন,স্বপ্নদোষ বা অতিরিক্ত স্ত্রী সহবাস বা অসাড়ে শুক্রক্ষরন ইত্যাদি কারনে ধ্বজভঙ্গ।
সেবন==২০০শক্তি বা ১ এম সকাল বিকাল ২ মাত্রা
Moschus(মস্কাস)- বহুমুত্র রোগী দেহের গড়ন চিকুন চাকুন দুর্বল ক্ষমতাহীন অল্পতেই বীর্যপাত হইয়া যায়।
সেবন --২০০ শক্তি দিনে ২ বার

বায়োকেমিক
Natrum Mur(নেট্রাম মিউর)-- স্ত্রী লোক দেখিলে কথা বলিলে এমন কি মনে মনে ভাবিলেও অসাড়ে বীর্যপাত হয়ে যায়।
সেবন -12x বা আরো উচ্চ শক্তি ৪ বড়ি করে দিনে ২ বার
Kali Phos(কেলি ফস)--অতিরিক্ত বীর্যক্ষয় জনিত অনিদ্রা,কাজ কর্মে অনিচ্ছা,জননেন্দ্রিয় দুর্বলতা।
সেবন -12x বা আরো উচ্চ শক্তি ৪ বড়ি করে দিনে ২ বার
Silicea(সাইলেসিয়া) -স্বপ্নদোষ,হস্তমৈথুন,অতিরিক্ত স্ত্রী সহবাস ইত্যাদি কুফল এর জন্য
সেবন -12x বা আরো উচ্চ শক্তি ৪ বড়ি করে দিনে ২ বার

Comments

এভাবে ঔষধেরর নাম উল্লেখ করে মানুষকে প্রেস্ক্রিব্সন করা উচিত নয়। কারণ হোমিও ডাক্তার হওয়া সহজ কিন্তু ডাক্তারি করা অনেক কঠিন, এর জন্য বিস্তর পড়াশোনা এবং অভিজ্ঞতার প্রয়োজন। তাই ঔষধেরর নাম উল্লেখ করে কাউকে পরামর্শ না দেয়ার জন্য অনুরোধ রইলো। কারণ রোগীর কেস স্টাডি নিয়ে একজন ডাক্তারই সেই রোগীকে প্রপার ট্রিটমেন্ট দিতে পারেন। দেখা যায়, একটা সমস্যার সাথে আরো অনেক কারণ জড়িত থাকে। তাই বই দেখে লক্ষণ মিলিয়ে ঔষধ খেলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ফল না পওয়ার সম্ভবনা বেশি থাকে। তখন লোকজন হোমিওপ্যাথির চৌদ্দ পুরুষকেও গালি দিতে দ্বিধা করে না। অথচ দোষটা তারই। বুঝা দরকার হোমিওপ্যাথি আর অ্যালোপ্যাথি এক জিনিস নয়। তাই কেউ সমস্যায় পড়লে নিজ নির্বাচনে হোমিও ঔষধ খাবেন না। অনুরোধ রইলো।

ahomeo - 14 June 2015 - 9:00am :::

এইটা ডিলিট করব কিভাবে।

Dr.Badrul's - 30 December 2016 - 10:12pm :::

1
0
-1

দ্রুত বীর্যপাতের সমস্যা অনেকেরই হয়ে থাকে। এর জন্য সংসারে অশান্তিও তৈরি হতে পারে। এই বিষয়টি সম্পর্কে সবার সচেতন হওয়া জরুরি। আসুন জেনে নিই এটি আসলে কেন হয় আরেএর থেকে রক্ষা পেতে হলে কী করা উচিত।

আগে মনে করা হতো যে PE শুধুমাত্র একটি মানসিক সমস্যা। তবে সাম্প্রতিক গবেষনায় দেখা গিয়েছে যে মানসিক সমস্যার সাথে শারীরিক কারনও রয়েছে। তবে তা দুটি ভাগে বিভক্ত। খুব কম সংখ্যক মানুষের এ সমস্যা থাকে যৌনসক্রিয় কোন অঙ্গের ত্রুটিজনিত, যার নিরাময় করতে সেক্স থেরাপী ও মেডিসিনাল ট্রিটমেন্ট দুটোই একসাথে প্রয়োজন। যে জন্য আপনাকে কোন সেক্স থেরাপিস্টের শরণাপন্ন হতে হবে। কারন এক্ষেত্রে কাউকে পরীক্ষা না করে তার সমস্যা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়। তাই এ সম্পর্কে এখানে কিছু বলতে পারছি না।

তবে বেশিরভাগ মানুষেরই এ সমস্যা হয় থাকে একই সাথে মানসিক এবং শারীরিক ‘স্পর্শকাতরতা’ সম্পর্কীত সমস্যার কারনে। যা কোনপ্রকার মেডিসিনাল ট্রিটমেন্ট ছাড়াই নিরাময় করা সম্ভব। আর সেক্স থেরাপিস্টরাও প্রথমেই মেডিসিনাল ট্রিটমেন্টের দিকে যেতে চান না। তারা প্রথমে Patient এর মানসিক ও শারীরিক স্পর্শকাতরতা নিয়ে কাজ করে সমস্যাটা শুধু সেদিক দিয়েই কিনা তা নির্ধারনের চেষ্টা করেন। এর মাধ্যমে পরে তারা মেডিসিনাল ট্রিটমেন্ট করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেন। আমিও মূলত সে দিক দিয়েই এগিয়েছি।

এক্সারসাইজ-১. নিজের দেহকে আবিস্কার করাঃ

মেয়েরা তাদের বয়ঃবৃদ্ধির সময়ই তাদের দেহের বিভিন্ন পরিবর্তন ও যৌনতা নিয়ে সচেতন হয়ে উঠে। বিশেষ করে তাদের রজঃচক্র শুরু হবার পর থেকেই তারা তাদের যৌনতা সম্পর্কে ধারনা পেতে থাকে। মেয়েরা যে ছেলেদের তুলনায় তাদের রূপসজ্জা নিয়ে কতটা বেশি সচেতন তা নিশ্চয় সবাই সচক্ষেই অবলোকন করে থাকবেন। ঠিক তেমনি তারা তাদের যৌনানুভুতি, দেহের স্পর্শকাতরতা এগুলো সম্পর্কেও একইরকম সজাগ দৃষ্টি রাখে। কিন্ত ছেলেরা কি এক বিচিত্র কারনে (আমি নিজেও আগে তাই ছিলাম এবং কারনটা আমিও সঠিক জানি না) যেন নিজের দেহ সম্পর্কে বেশ উদাসিন থাকে। তবে ছেলেরা তুলনামূলকভাবে মেয়েদের তুলনায় একটু বেশি চঞ্চল হয়তো, তাছাড়া আমাদের দেশে মেয়েদের যেমন অতিরিক্ত ঘুরাফেরা, খেলাধুলা ইত্যাদি করার সামান্য হলেও যে বিধি-নিষেধ এখনো চালু আছে, তা ছেলেদের নেই বলে তারা অন্যান্য অনেক কিছুতে সময় ব্যয় করে বলে এদিকটায় তেমন নজর দেয়া হয় না। তাই Premature Ejaculation সমস্যার সমাধানের প্রথম ধাপ হল নিজের দেহ ও এর স্পর্শ কাতরতা সম্পর্কে একটা স্পষ্ট ধারনা গড়ে তোলা। এর জন্য সময় পেলে সপ্তাহে একবার, না পেলে মাসে একবার করে অন্তত ৪-৫ বার নিচের এক্সারসাইজটি দিয়ে শুরু করতে হবে।

  • প্রথমে যেদিন সময় হয় এমন একদিন সবরকম দৈনন্দিন কাজকর্ম শেষ করে নিয়ে, ঘন্টা খানেকের মত সময় আলাদা করে নিতে হবে। বিশেষ করে ছুটির দিনে হাল্কা করে রাতের খাবার খাওয়ার ঘন্টা তিনেক পরে সবচেয়ে ভালো হয়, কারন সেদিন বেশি কাজকর্ম করতে হয়না বলে দেহে অতটা ক্লান্তি থাকে না। তবে খাওয়া দাওয়ার পূর্বে অলস দুপুর বেলাও বেছে নেওয়া যেতে পারে। আপনার স্ত্রী থাকলে তিনি এ বিষয়ে কোন প্রশ্ন করলে তাকে বুঝিয়ে বলুন কেন আপনার এই একলা সময়টুকু প্রয়োজন।
  • রুমের দরজা বন্ধ নিয়ে করে সেলফোন অফ বা সাইলেন্ট করে নিতে হবে, যেন কেউ বিরক্ত করতে না পারে। রুমে যেন তীব্র আলো না থাকে, সবচেয়ে ভালো হয় ডীম লাইট বা এর অভাবে মোমবাতি জ্বালিয়ে নিলে।
  • শীতকাল হলে এ এক্সারসাইজ সবচেয়ে ভালো করা যায়, কারন এসময় দেহ শুষ্ক থাকে। তবে গরমকাল হলেও সমস্যা নেই। এক্ষেত্রে আগে স্নান করে নেয়া ভালো, রুমে মাঝারি কমিয়ে ফ্যানটা ছেড়ে রাখতে হবে। পেট্রোলিয়াম জেলি, নারিকেল তেল বা অন্য কোন নিরাপদ তৈলাক্ত পদার্থ (অর্থাৎলুব্রিকেন্ট। তবে সাবধান! সরিষার তেল বা টুথপেস্ট জাতীয় কিছু ব্যবহার করতে যাবেন না!) তৈরী রাখুন।
  • কোন প্রকার তাড়াহুড়ো করতে যাবেন না। পরনের কাপড় খোলার সময় আগে কাপড়ের উপর দিয়ে নিজের দেহে হাত বুলিয়ে দেখুন কিরকম লাগছে। আপনার দৈহিক অনুভুতির প্রতি মনোনিবেশ করুন। এবার ধীরে ধীরে কাপড়গুলো সব খুলে নিন। বিছানায় একটা নরম বালিসে আরাম করে লম্বা হয়ে শুয়ে পড়ুন। এবার চোখ বন্ধ করে জোরে জোরে কয়েকবার শ্বাস নিয়ে, নিয়মিত ভাবে শ্বাস নিয়ে নিজের শরীরটাকে রিলাক্স করুন। এবার নিজের বুকে দুই হাত দিয়ে (লুব্রিকেন্ট না লাগিয়ে) ম্যাসাজ করতে থাকুন, ফাকে ফাকে আপনার নিপলস এ আঙ্গুল নিয়ে একটু ঘসে দেখুন, ঠোট, গাল, গলা ইত্যাদি অংশে হাত নিয়ে যান। তারপর হাত আস্তে আস্তে নিচে নামিয়ে আনুন। আপনার পেটে, উরুতে, দেহের পাশের অংশে হাত বুলিয়ে সে স্থানগুলোতে কিরকম লাগছে অনুভব করুন। এবার হাতে লুব্রিকেন্ট লাগিয়ে আবার আপনার দেহের বিভিন্ন অংশে হাত বুলাতে থাকুন। আপনার চেস্ট, নাভির কাছে, লিঙ্গের উপরের অংশে, নিতম্বে, উরু ইত্যাদি স্থানে। কিন্তু লিঙ্গকে এড়িয়ে চলুন। এভাবে কিছুক্ষন নিজেকেই নিজে tease করুন। মনে রাখবেন, এরকমভাবে নিজেকে আদর করার সময় আপনার মনে যেন কোন সংকোচ বোধ না আসে। নিজের সাথে নিজের আবার কিসের লজ্জা? অন্য কোন মানুষ তো আর আপনাকে দেখছে না। এবার আস্তে আস্তে কিছুক্ষন ধরে আপনার লিঙ্গে হাত দিয়েই আবার সরিয়ে ফেলা এরকম করে তারপর সেখানে মনোযোগ দিন। এক হাত আপনার দেহের উপরাংশে বুলাতে বুলাতে অন্য হাত আপনার লিঙ্গে বুলাত থাকুন। তবে আস্তে আস্তে এবং এর প্রতিটি অংশে, হস্তমৈথুনের মত করে নয়, অনেকটা তেল মাখানোর মত করে। আপনার খুব যদি ইচ্ছে করে তাও সরাসরি হস্তমৈথুন করা থেকে বিরত থাকবেন। আপনার সারা দেহে এভাবে কি অনুভুতি ছড়িয়ে পড়ছে সেদিকে মনোযোগ দিন। এ সময় আপনার মুখ দিয়ে যদি কোন যৌন আনন্দের শব্দ বের হয়ে আসতে চায় তবে বাধা দেবেন না। এতে আপনার যৌনতায় একটা সহজবোধ্যতা আসবে। এভাবে লিঙ্গে হাত বুলাতে বুলাতে খুব বেশি উত্তেজিত হয়ে বীর্যপাতের মত অবস্থা হলে লিঙ্গ থেকে কিছুক্ষনের জন্য হাত সরিয়ে অন্য কোথাও যেমন নিচে আপনার অন্ডথলিতে হাত বুলান। অন্য হাত দিয়ে আপনার বাহু, কবজিতে হাত বুলান। এসময় ঠিক কোন স্থানটিতে আপনার হাত গেলেই দেহ বেশ শিহরিত হয়ে উঠছে তা বোঝার চেষ্টা করুন। প্রথম দিকে চেষ্টা করবেন, যে আপনার শ্বাস-প্রশ্বাস যেন স্বাভাবিক থাকে। কারন যৌনত্তেজনার সময় শ্বাস-প্রশ্বাসের হার বেড়ে যায়। আস্তে আস্তে আপনার উত্তেজনা কিছুটা বৃদ্ধি পেলে এদিক থেকে মনোযোগ সরিয়ে আনুন। বীর্যপাতের ইচ্ছা একটু কমে এলে আবার লিঙ্গে হাত নিয়ে যান। এভাবে দুই তিন বারের মত অর্গাজমের দোরগোড়া থেকে ফিরে আসুন। তারপর বীর্যপাত হতে দিন। তবে মনে রাখবেন বীর্যপাত আপনার এই এক্সারসাইজের একটা গৌন অংশমাত্র। এর মূল উদ্দেশ্য হল নিজের দেহের যৌনানুভুতি গুলোর সাথে সহজ হয়ে উঠা।
  • বীর্যপাত হয়ে যাওয়ার পর সাথে সাথেই উঠে যাবেন না। ওই অবস্থাতেই কিছুক্ষন আরাম করে শুয়ে থেকে বীর্যপাতের পরবর্তী দেহের রিলাক্স অবস্থাটি উপভোগ করুন। আপনার বুকে, পেটে, নাভীতে বৃত্তাকারে হাত বুলিয়ে দিন। চোখ বন্ধ করে গভীর ভাবে শ্বাস নিন। চাইলে এ অবস্থাতেই হাল্কা ঘুমিয়েও নিতে পারেন। এতে আপনার নিজের প্রতি লজ্জার অনুভুতি অনেকটাই চলে যাবে।

এক্সারসাইজ-২. স্টপ এ্যান্ড গো মাস্টারবেশনঃ প্রথম এক্সারসাইজটা কিছুদিন করার পরে এটা শুরু করতে হবে।

  • প্রথমে আগের এক্সারসাইজের মতই কোন একটা নিভৃত স্থান বেছে নিতে হবে, যেখানে কেউ দেখে ফেলার বা বিরক্ত করার ভয় থাকবে না। হাতের কাছে লুব্রিকেন্ট ও একটা কৌটো জাতীয় কিছু রাখতে হবে।
  • এবার যথারীতি ভেজা দেহ থাকলে তা মুছে শুকিয়ে নিতে হবে। তারপর বিছানার কিনারে বা আরামদায়ক কোন চেয়ারে বসে আরাম করে বসে নিতে হবে
  • এবার শুধু প্যান্টটা খুলে নিন। গায়ে যেন শার্ট বা গেঞ্জী জাতীয় কিছু থাকে। কিছুক্ষন এক্স-১ এর মত করে দেহে হাত বুলিয়ে সহজ হয়ে নিন। এবার লিঙ্গে হাত দিয়ে আস্তে আস্তে মাস্টারবেশনের মত করে উঠানামা করানো শুরু করতে হবে। শুকনো হাতের ঘর্ষনটা এক্ষেত্রে টনিকের মত কাজ করবে। এসময় নিয়মিত শ্বাস নেবার চেষ্টা করবেন। আপনার বীর্যস্খলনের সময় এগিয়ে আসা মাত্র লিঙ্গ থেকে হাত সরিয়ে অন্ডথলিতে নিয়ে সেটা নিয়ে নাড়াচাড়া করতে থাকবেন। এতে আপনার বেগ আস্তে আস্তে কমে আসবে। এবার বীর্যপাতের ইচ্ছাটুকু সম্পূর্ন চলে গেলে। আবার লিঙ্গে হাত উঠানামা করাতে থাকুন। এবার আবার বীর্যপাতের ইচ্ছে এলে হাত উঠিয়ে ৫ সেকেন্ড পর লিঙ্গের মাথাতে তালুটা লাগিয়ে সেখানে ম্যাসাজ করতে থাকুন। আপনার একটা অসহ্যরকমের অনুভুতি হবে। তবে সেই সাথে বীর্যপাতের ইচ্ছাও কমে আসবে। এবার আবার হাত নামিয়ে লিঙ্গে মৈথুন করতে করতে এভাবে একবার অন্ডে ও একবার মুন্ডিতে হাত নিয়ে চালিয়ে যান। লিঙ্গে মৈথুন করা ও বীর্যপাতের প্রবনতা আসার সময় যখন বেশি কমে আসবে তখন একহাতের আঙ্গুল দিয়ে লিঙ্গের মুন্ডির ঠিক নিচে রিংয়ের মত করে ধরে মুন্ডিতে অন্য হাতের তালু কিছুক্ষন বুলান, এতে আপনার উত্তেজনায় কমে আসবে এবং লিঙ্গ একটু নরমও হয়ে যেতে পারে। এভাবে নরম হয়ে যাওয়ার পর এবার লুব্রিকেন্ট হাতে নিয়ে উপরের কাজগুলোর পুনরাবৃত্তি করুন। এভাবে ১ ঘন্টার মত চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করুন। এরকমটি করার সময় আপনার বারবারই ইচ্ছা হবে হাত বন্ধ না করে বীর্যপাত করে ফেলার। তাই একটু কষ্ট করে এটা সহ্য করে হাত সরিয়ে নিতে হবে।

এক্সারসাইজ-৩. Sensual মাস্টারবেশনঃ

এই এক্সারসাইজ মূলত যাদের কোন সঙ্গিনী নেই তাদের জন্য। অবশ্য যাদের আছে তারাও সঙ্গিনীর সাথে এক্সারসাইজ করার আগে এটা করে নিতে পারেন। তবে এই এক্সারসাইজ অনেকের কাছেই বেশ অসস্তিকর লাগতে পারে। কিন্ত কোনকিছু নিরাময়ের জন্য কতকিছুই তো করতে হয় তাইনা?

. এ এক্সারসাইজের জন্য ১ম এক্সারসাইজের মতই প্রস্তুতি নিতে হবে। তবে এবার প্রথম থেকেই লুব্রিকেন্ট ব্যবহার করতে হবে। সাথে একটা কন্ডম রাখা যেতে পারে। কারন বিছানায় শুয়ে শুয়ে করা হবে বিধায় তা যেন বীর্যে ভরে না যায় সেজন্য। তবে কন্ডম পড়লে স্পর্শকাতরতা নিয়ে পরে সমস্যা হতে পারে বিধায় বিছানায় কোন পরিস্কার পুরোনো চাদর বিছিয়ে নেওয়াই ভালো।

. প্রথমে নগ্ন হয়ে বিছানায় রিলাক্সড হয়ে শুতে হবে। তারপর হাতে লুব্রিকেন্ট লাগিয়ে সারাদেহে এক্স-১ এর মত করে ম্যাসাজ করে করে আপনার দেহকে পর্যাপ্ত উত্তেজিত করে নিন। এসময় প্রথমে লিঙ্গে হস্তমৈথুনের মত করে হাত বুলানো যাবে না। একটু উত্তেজিত হয়ে উঠলে এরকমটা চলা অবস্থাতেই এক হাত লিঙ্গে বুলাতে বুলাতে অন্য হাত মুখের কাছে নিয়ে আসুন। নিজের কবজি থেকে শুরু করে বাহুর উপরে যতটুকু পর্যন্ত মুখ যায় জিহবা বুলাতে থাকুন। এরপর বিশেষ করে বাহুর কাছের বিভিন্ন অংশ (যেখানে সাধারনত টিকা দেয়া হয়) একটু একটু করে লাভ বাইটস দেয়ার মত করে মুখ দিয়ে চুষতে থাকুন, তবে ধীরে ধীরে নাহলে লাল স্পট পড়ে যেতে পারে। এবার লিংঙ্গে হস্তমৈথুনের মত করে হাত বুলাতে থাকুন। কিন্ত আপনার সম্পুর্ন মনোযোগ থাকবে আপনার বাহুর উপর। এ অবস্থায় কিছুক্ষন পরপর আপনার হাত পালটে নিন। আর এসময়, বীর্যপাতের প্রবনতা এলে তিন থেকে চার বার মুখের কাজ না থামিয়ে লিঙ্গ থেকে অন্য হাতটি সরিয়ে আনুন। শেষেরবার বীর্যপাতের মাধ্যমে এক্সারসাইজের সমাপ্তি টানুন।

এক্সারসাইজ-৪. সঙ্গিনীর সাথে ম্যারাথন স্টপ এ্যান্ড গোঃ

এটা হচ্ছে উপরের এক্সারসাইজ গুলো করার পরে যাদের বিশ্বস্ত সঙ্গিনী আছে তাদের জন্য। আর যারা এখনো বিয়ে করেননি বা গার্লফ্রেন্ডের সাথে অতটা গভীর সম্পর্কে জাননি তাদের একটু অপেক্ষা করতে হবে। কারন সঙ্গিনীর সাহায্য ছাড়া পরিপুর্নভাবে প্রিম্যাচিউর এজাকুলেশন নিরাময় করা সম্ভব নয়। এজন্য ওনার কাছে আগেই এ বিষয়ে সব কিছু ব্যাখ্যা করে ওনার সাহায্য প্রার্থনা করতে হবে।

এই এক্সারসাইজ করার আগে অন্ততপক্ষে ১ সপ্তাহ হস্তমৈথুন বা যৌনমিলন থেকে বিরত থাকতে হবে। আর আপনার সঙ্গিনী যদি কিছুদিন ধরে নিয়মিত জন্মবিরতিকরন পিল খান তবে সবচেয়ে ভালো হয়। নাহলে বাজারে এখন খুব ভাল ইমার্জেন্সী কন্ট্রাসেপটিক পিল পাওয়া যায়। ওগুলোর সেবনবিধি ভালোভাবে জেনে নিয়ে সেগুলো তৈরী রাখতে হবে। কারন, এই এক্সারসাইজটি করার মূল উদ্দেশ্য সঙ্গিনীর সাথে সহজাত অনুভুতির একটা সম্পর্ক গড়ে তোলা। আর কন্ডম দিয়ে সেক্স করলে তা ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই এজন্য জন্মবিরতিকরন পিল খাওয়ার ব্যাপারেও বেশ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। বিশেষ করে এই কারনেই গার্লফ্রেন্ডের সাথে এই এক্সারসাইজ করতে আপনাদের আমি নিরুৎসাহিত করব। এটা নিজ স্ত্রীর সাথে অনুশীলন করাই সবচেয়ে নিরাপদ।

. সঙ্গিনীর সাথে অভ্যাস করার জন্য প্রথমে ঘরে অত্যন্ত রোমান্টিক একটা পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। সন্ধ্যা বেলাটা একসাথে কোথাও ঘুরতে গিয়ে, সিনেমা দেখে কাটান, একসাথে ডিনার করুন। একজন আরেকজনের সংস্পর্শে থাকুন। কাপড়ের উপর দিয়ে হাল্কা পাতলা আদর করে, মিস্টি মিস্টি কথা বলে সহজ হয়ে নিন। রাতে হাল্কা খাবার খেয়ে কিছুক্ষন একসাথে বসে টিভি দেখা বা পুর্নিমার দিন হলে একজন আরেকজনকে ধরে বসে থেকে ভালোবাসার কথা বলুন। এভাবে নিজেদের সাথে সহজ হয়ে নিতে হবে। একজন-আরেকজনের সংস্পর্শে এভাবে থেকে উত্তেজিত না হয়ে বরং একটা রিলাক্স মুডে চলে আসুন।

. বেডরুমে যেন আগের মতই স্বল্প আলোর একটা সুন্দর পরিবেশ থাকে। লুব্রিকেন্ট পাশেই রাখবেন। বেডরুমে গিয়ে ধীরে ধীরে নিজেই নিজের কাপড় খুলে নিন, এবং আপনার সঙ্গিনীকেও ওর কাপড় খুলে নিতে বলুন। দুজনে বিছানায় আরাম করে মুখোমুখি শুয়ে ঠোটে কিস দিয়ে শুরু করুন। এসময় হাল্কা ভাবে দুজনে দুজনের পিঠে হাত বুলিয়ে দিন। অন্য কোথাও যেন হাত না যায়। কিছুক্ষন কিস করে আপনার সঙ্গিনীকে বলুন হাতে লুব্রিকেন্ট মাখিয়ে আপনার লিঙ্গে আদর করে দিতে ও অন্য হাতে আপনার বুক, নাভী, উরু এসব স্থানে হাত বুলিয়ে দিতে। আর আপনিও ওনার গালে, গলায়, বাহুতে জিহবা লাগিয়ে চুষে দিতে থাকুন, এক্স-৩ তে যা আপনি নিজেই নিজেকে করছিলেন। তবে ওনার স্তন ও অন্যান্য যৌনকাতর অংশের দিকে বেশি মনোযোগ দেবেন না কারন তাতে উনি অতিরিক্ত উত্তেজিত হয়ে যেতে পারেন। উনি একটু উত্তেজিত হয়ে গেলেই আপনার হাত থামিয়ে ওনার ঠোটে আপনার ঠোট just লাগিয়ে রাখুন। চুমু খাওয়ার দরকার নেই। এভাবে কিছুক্ষন পর আপনার বীর্যপাতের প্রবনতা এলে ওনাকে থামতে বলুন। এবার কিছুক্ষন ওনার দেহে হাত বুলিয়ে ওনাকে উত্তেজিত করে তুলুন। আপনার বীর্যপাতের প্রবনতা একটু কমে এলে আবার ওনাকে বলুন আপনার দেহে ও লিঙ্গে হাত বুলিয়ে দিতে। এভাবে কয়েকবার করার পর বীর্যপাত করাতে পারেন।

. বীর্যপাতের পরও -১-এর মত করে আপনার সঙ্গিনীকে আপনাকে আদর করা বন্ধ করতে মানা করুন। আপনিও ওনাকে হাল্কা পাতলা আদর করে উৎসাহ দিন। এরকম করতে করতেই আরো একবার আপনার লিঙ্গ শক্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত ওকে চালিয়ে যেতে বলুন। এক্ষেত্রে দেরী হলে, আপনার সঙ্গিনী যদি দ্বিধাবোধ না করেন তবে দরকার হলে ও্নাকে কিছুক্ষন আপনার অনুত্তেজিত লিঙ্গকে চুষে দিতেও বলতে পারেন। তবে শক্ত হওয়ার পর সেখানে শুধুই ওনার হাত থাকতে হবে। এবার আবার সম্পুর্ন এক্সারসাইজের পুনরাবৃত্তি করে বির্যপাতের মাধ্যমে শেষ করুন। এত দীর্ঘ সময়ের এক্সারসাইজে আপনার সঙ্গিনী বেশ অধৈর্য ও যৌনত্তেজনায় কাতর হয়ে উঠবেন। দ্বিতীয়বার বীর্যপাতের পর এবার আপনি আপনার সঙ্গিনীকে যতভাবে সম্ভব উত্তেজিত করে তুলুন। ওনার যৌনাংগুলোতে আদর করে ওনাকে অর্গাজম করিয়ে দিন (আমার লেখা মেয়েদের যৌনস্পর্শকাতর অঙ্গ সম্পর্কীত প্রবন্ধটি পড়ে এ সম্পর্কে আশা করি আপনার ভালোই ধারনা হয়েছে?)। ওনাকে এভাবে আদর করতে করতে আশা করা যায় আপনিও তৃতীয়বারের মত উত্তেজিত হয়ে উঠবেন। এবার কিছুক্ষন আপনার সঙ্গিনীকে আপনার লিঙ্গে আদর করতে দিয়েই তাকে আর নিরাশ না করে মিশনারী পজিশনে গিয়ে তার যোনিতে লিঙ্গ দ্বারা মৈথুন করা শুরু করুন। তবে বেশ ধীরে ধীরে এবং উত্তেজনাকে যথাসম্ভব দমিয়ে রাখার চেষ্টা করে। এক্স-১ ও ২ ঠিকমত অনুশীলন করে থাকলে আসা করি এতে আপনার খুব বেশি সমস্যা হবে না। এবার যখনি আপনি টের পাবেন আপনার বীর্যপাতের সময় এগিয়ে আসছে, তখনি যোনির গভীরে আপনার লিঙ্গকে রেখে দিয়ে সবরকম নাড়াচাড়া থামিয়ে দিন, আপনার সঙ্গিনীকেও থামতে বলুন (It’s break time sweetheart!) আস্তে আস্তে বীর্পাতের ইচ্ছে মিলিয়ে যেতে শুরু করলে উল্টিয়ে গিয়ে আপনার সঙ্গিনীকে আপনার উপরে নিয়ে আসুন, তারপর আবার মৈথুন করতে থাকুন। আবার বীর্যপাতের ইচ্ছে এগিয়ে আসলে, আগের মত নড়াচড়া বন্ধ করে দিন। এবার আবার ওনাকে উলটে আপনার নিচে এনে এভাবে যতক্ষন সম্ভব চালিয়ে যেতে হবে।

. এবার আশা করা যায় আপনার বীর্যপাত কিছুটা হলেও বিলম্বিত হবে। তবুও আপনার বীর্যপাত সঙ্গিনীর অর্গাজমের আগেই হয়ে যাবার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে (আগেই বলছি এ নিয়ে কোন দুশ্চিন্তা করবেন না। Just relax)। তাই আপনার বীর্যপাত হয়ে গেলে ওনার যোনিতে ওরাল সেক্সের (ঠোট ও জিহবা ব্যবহার করে) মাধ্যমে আদর করে অর্গাজমে নিয়ে যান।

. এভাবে এক সপ্তাহ পর পর এটি মাসখানেক অনুশীলন করলে আশা করা যায় আপনি অবশ্যই সুফল পাবেন।

এই এক্সারসাইজগুলো মূলত প্রিম্যাচিউর এজাকুলেশন নিরাময়ের প্রাথমিক পর্যায়ের। বেশিরভাগেরই এই এক্সারসাইজেই আস্তে আস্তে বীর্যপাতের সময় বাড়তে থাকে। তবে প্রিম্যাচিউর এজাকুলেশনের সবচেয়ে কার্জকরী সমাধান করা যায় পিসি মাসল (PC Muscle) এর এক্সারসাইজের মাধ্যমে। মানুষ তার প্রস্রাব আটকাতে তার পেলভিক অঞ্চলের যে পেশিটি ব্যাবহার করে তার নামই পিসি মাসল। বেশিরভাগ মানুষেরই জন্মগতভাবে এই মাসল তুলনামূলক দূর্বল থাকে। এই মাসলকে শক্তিশালী করে তুলে এর মাধ্যমে ছেলেদের অর্গাজমের সময়ও বীর্যপাতকে থামিয়ে দেয়া যায় (আগেই বলেছি অর্গাজম আর বীর্যপাত একসাথে হতেই হবে এমন কোন কথা নেই, এরা একে অপরের সাথে সম্পর্কীত হলেও আসলে দুটি আলাদা ঘটনা)। যার ফলে একবার অর্গাজম হয়ে যাওয়ার পরও বীর্যপাত না হওয়াতে ছেলেটির লিঙ্গের উত্থান অটুট থাকে বলে সে মেয়েটির অর্গাজম না হওয়া পর্যন্ত মৈথুন করে গিয়ে এর মাঝে আরো একটি-দুটি অর্গাজম করে শেষেরবার বীর্যস্খলন করাতে পারে। শুনতে গল্পের মত মনে হলেও বাস্তবে আসলেও এটা সম্ভব। বিশ্বাস না হলে আপনারা ইন্টারনেট ঘেটে দেখতে পারেন। বিদেশে অনেক ছেলে এটা চেষ্টা করে সফল হয়েছে। আমি নিজেও এই এক্সারসাইজের কিছু অংশ চেষ্টা করে আশ্চর্যান্বিত হয়েছি। যাদের প্রিম্যাচিউর এজাকুলেশন সমস্যা না থাকলেও ১৫-২০ মিনিট মৈথুন করে সঙ্গিনীকে সন্তুষ্ট করতে পারেন না তারাও এটা চেষ্টা করতে পারেন। এর জন্য বয়সও তেমন বড় কোন ফ্যাক্টর নয়। মোটামুটিভাবে ১৭-৫৫ বছর বয়েসের যে কেউ এটা করে সুফল পেতে পারেন। একে ছেলেদের মাল্টিপল অর্গাজম বলা হয়।

কৃতজ্ঞতাঃ লাইফনিডসেক্স.ওয়ার্ডপ্রেস.কম

Tags

অনার্স (21) অনিয়মিত পিরিয়ড (70) অবহেলা (46) অবৈধ শারীরিক সম্পর্ক (15) অসম প্রেম (22) অ্যালার্জি (15) আইন (34) ইসলাম (52) ইসলাম ধর্ম (18) উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (27) ওয়েবসাইট (34) ঔষধ (19) কম্পিউটার (28) কষ্ট (117) কালো দাগ (17) কেনাকাটা (21) কোথায় পাবো (18) ক্যারিয়ার (81) ক্রিকেট (23) ক্রিম (24) খরচ (15) খাবার (15) গর্ভপাত (16) ঘুম (16) চাকরি (18) চিকিৎসা (17) চুলকানি (19) চুল পড়া (47) চুল পড়া সমস্যা (18) চুলের যত্ন (15) জাতীয় পরিচয়পত্র (17) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় (14) জ্বর (21) ডার্ক সার্কেল (14) ডিভোর্স (42) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (14) তারুণ্যে প্রেম (94) তালাক (21) তৈলাক্ত ত্বক (20) ত্বকের যত্ন (19) দাঁতের চিকিৎসা (15) দাম্পত্য (119) দাম্পত্যে সমস্যা (22) দূর করার উপায় (29) দোটানা (99) ধর্ম (30) নামাজ (22) পরকীয়া (47) পরিবার (90) পরীক্ষা (15) পারিবারিক সমস্যা (30) পিরিয়ড (38) প্রতারণা (51) প্রযুক্তি (24) প্রেম (193) প্রেমের প্রস্তাব (15) প্রেমের সম্পর্ক (30) পড়াশোনা (166) ফেসবুক (54) ফেসবুক আইডি (15) বন্ধুত্ব (20) বাংলাদেশ (60) বিদেশে পড়াশোনা (22) বিয়ে (155) ব্যবসা (23) ব্যায়াম (21) ব্রণ (40) ব্রণ সমস্যা (15) ব্রেকআপ (16) ভালোবাসা (365) ভালোলাগা (39) ভয় (82) মাথাব্যথা (19) মাথাব্যথা (24) মানসিক কষ্ট (62) মানসিক সমস্যা (36) মুক্তির উপায় (48) মোটা হওয়ার উপায় (17) মোটা হতে চাই (29) মোবাইল (23) মোবাইল ফোন (23) রাগ (19) লম্বা হতে চাই (17) ল্যাপটপ (24) শারীরিক অসুস্থতা (18) শারীরিক ব্যায়াম (19) শারীরিক মিলন (29) শারীরিক সমস্যা (29) শারীরিক সম্পর্ক (101) সন্দেহ (21) সমস্যা (16) সম্পর্ক (53) সর্দি (19) সেরা প্রশ্ন (178) স্বপ্ন (30) স্বপ্ন ও ব্যাখ্যা (18) স্বপ্নের ব্যাখ্যা (28) স্বাস্থ্য (41) হতাশা (24) হস্তমৈথুন (18)